ওয়াশিংটন ডি.সি.: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চলমান সংঘাত নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র এক গোপন প্রতিবেদন ফাঁস হওয়ার পর হোয়াইট হাউসে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে জনসমক্ষে যে দাবি করছেন, বাস্তব চিত্র তার সম্পূর্ণ উল্টো।
মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদী হামলা ও অবরোধ সত্ত্বেও ইরানের সামরিক শক্তি ধূলিসাৎ হয়নি। প্রতিবেদনের মূল তথ্যগুলো হলো:
ইরানের ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ এখনো পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে।
তাদের ৯ শতাংশ ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্র বর্তমানে সচল রয়েছে।
হরমুজ প্রণালির পাশের ৩৩টি ঘাঁটির মধ্যে ৩০টিই ইরান পুনরায় সক্রিয় করে তুলেছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ভয়াবহ অস্ত্র সংকটে পড়েছে। পেন্টাগন গত কয়েক মাসে যুদ্ধে রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহার করেছে:
প্রায় ১,১০০টি স্টিলথ ক্রুজ মিসাইল এবং ১,০০০-এর বেশি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
১৩০০-এর বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহারের ফলে মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন চরম চাপের মুখে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ট্রাম্পের ‘এপিক রেজ’ অপারেশন ব্যর্থ ঘোষণা করে শান্তির জন্য পাঁচটি কঠিন শর্ত দিয়েছে:
লেবানন ও গাজাসহ সকল ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা।
সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দেওয়া।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌম অধিকারের স্বীকৃতি।
যুদ্ধের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান।
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অলঙ্ঘনীয় অধিকার বজায় রাখা।
ট্রাম্প প্রশাসন এই শর্তগুলোকে প্রত্যাখ্যান করলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ওয়াশিংটন বর্তমানে এক কৌশলগত অচলাবস্থায় রয়েছে। হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে চীন এখন পাকিস্তানকে মধ্যস্থতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস, সিআইএ (গোপন প্রতিবেদন), ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |